প্রিয় পুরুষের কাছে রুক্মিনির চাওয়া

বিনোদন ডেস্ক : টলিউডের মডেল-অভিনেত্রী রুক্মিনি মৈত্র। চিত্রনায়ক দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘চ্যাম্প’ সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। পাশাপাশি দেবের সঙ্গে প্রেম করছেন রুক্মিনি। এ খবর সবারই জানা। যদিও তাদের এ সম্পর্ককে শুধু বন্ধুত্ব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তারা।তবে রুক্মিনি কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে খুব রোমান্টিক। তার প্রিয় পুরুষটিকে অত্যান্ত ভালোবাসেন। সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে তা সুস্পষ্টভাবেই লক্ষ্য করা যায়।
এক সাক্ষাৎকারে রুক্মিনিকে প্রশ্ন করা হয়, আপনার প্রিয় পুরুষের কাছে আপনি কী চান? এমন প্রশ্নের জবাবে রুক্মিনি বলেন, ‘আমি খুব ইমপ্র্যাকটিক্যাল প্রেমিকা। সমুদ্রের পাড়ে হাত ধরে হাঁটা ফ্যান্সি টাইপের। একসঙ্গে সিনেমা-দেখা টাইপের। স্কুটিতে চড়ে বা হাত ধরে রাতে অনেকটা পথ হাঁটা। কিন্তু দিন শেষে যা চাই তা হলো- আমার প্রিয় পুরুষের সময়। অনেকটা সময়। আমি কাজ করব, খাওয়াব, সব করব কিন্তু তুমি প্লিজ আমার সামনে থাকো। আমার কাছে সময়ের থেকে বড় কিছু নেই। কারণ সময়টা হারিয়ে যায়- তাই আজ যদি আমাকে তোমার ১৫ মিনিট দাও তার মানে তোমার মন-প্রাণ-হৃদয়টা দিলে। আর সেটাই আমার কাছে সব চেয়ে দামি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, “প্রিয় মানুষের সঙ্গে সংযোগটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সত্যি বলতে, আমার কাছে সোশ্যালমিডিয়াও একটা বোঝা। করতে হয় তাই করছি। আর ভালো লাগে লম্বা কথোপকথন। জানি তুমি খুব ব্যস্ত কিন্তু এর মধ্যেও আমাকে ফোনে জানতে চাওয়া, ‘ডিনার খেয়েছ? ঠিক আছো?’ এরকম ছোট ছোট ব্যাপার। বড় ব্যাপার আমাকে আকর্ষণ করে না। আমি বাড়ি আর ঘরের পার্থক্য জানি। আমার ঘর পছন্দ।”

প্রেম থেকে অভিনয় সব বিষয়ে এ আলাপচারিতায় কথা বলেছেন রুক্মিনি মৈত্র। কিন্তু তার প্রিয় পুরুষ কে তা পরিষ্কার করে কিছু জানাননি এই অভিনেত্রী। তবে দেব যে পছন্দের মানুষ তা অন্তত আন্দাজ করাই যায়।

মডেল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন রুক্মিনি। এবার তিনি নিজেকে বড় পর্দায় মেলে ধরতে চান। এক বক্সারের জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে চ্যাম্প। সিনেমায় দেবের চরিত্রের নাম শিবাজি এবং রুক্মিনির চরিত্রের নাম জয়া। রাজ চক্রবর্তীর হাত ধরে টলিউডে পা রেখেছেন মিমি, প্রিয়াঙ্কা, রাহুল, কৌশানি এবং বনি। সকলেই টলিউডে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। দেখা যাক, রুক্মিনি নিজেকে কতদূর নিয়ে যেতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *