মুফতি হান্নানসহ তিন জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর

শামীম চৌধুরী/ সহিদুল ইসলাম রেজা/ কাউসার আকন্দ/ শাহীন শাহ ওয়ালীদ/ হারিছ আলী, গাজীপুর ও সিলেট থেকে : সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন রিপনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বুধবার রাত ১০টা ১ মিনিটে তিনজনের ফাঁসি কার্যকর হয়। মুফতি হান্নান ও বিপুল কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন। সেখানেই তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। অপরদিকে রিপনের ফাঁসি কার্যকর হয় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে। গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বুধবার রাত ১০টার দিকে মুফতি আবদুল হান্নান ও শরীফ শাহেদুল ওরফে বিপুলের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। জঙ্গি দেলোয়ার হোসেন রিপনের ফাঁসিও সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রাত ১০টা ১ মিনিটে কার্যকর করা হয়।
কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মিজানুর রহমান কারাফটকে সাংবাদিকদের জানান, রাত ১০টায় মুফতি আবদুল হান্নান ও শরীফ শাহেদুল ওরফে বিপুলের ফাসি কার্যকর করা হয়। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ছগির মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, দেলোয়ার হোসেন রিপনের ফাঁসি বুধবার রাত ১০টা ১ মিনিটে কার্যকর করা হয়েছে।
২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গ্রেনেড হামলায় আনোয়ার চৌধুরীসহ আরো অনেকে আহত হন। নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন। পরে পুলিশ বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সম্পূরক চার্জশিটে আরেক জঙ্গি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ ও মুফতি মঈনউদ্দিন ওরফে আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
এরপর উচ্চ আদালতে তারা আপিল করলে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এরপর তারা রিভিউ আবেদন করলে সেটাও গত ২২ মার্চ খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। পরে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইলে সেটাও খারিজ করা হয়। ফলে কারাবিধি অনুযায়ী, তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে আর কোনো বাধা ছিল না।
দুই জঙ্গি মুফতি হান্নান ও বিপুলের ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি হিসেবে একের পর এক বুধবার রাতে কারাগারে ঢোকেন ফাঁসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল ইকবাল কবির ৭টা ৪০ মিনিটে কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে কারা মহাপরির্দক বিগ্রেডিয়ার সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে কারাগারে প্রবেশ করেন। এর আগে সাড়ে ৭টায় ঢোকেন পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ। সন্ধ্যা ৭টা ৩৩ মিনিটে ঢোকেন সিভিল সার্জন সৈয়দ মঞ্জুরুল হক। গাজীপুর কাশিমপুর কারাগারে ঢোকে তিনটি অ্যাম্বুলেন্সও। এদিকে কারা কর্তৃপক্ষের চিঠি পেয়ে বুধবার সকালে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে সাক্ষাৎ করেছেন মুফতি হান্নানের পরিবার সদস্যরা। বুধবার ভোর ৬টার দিকে কারাগারে পৌঁছানোর পর মুফতি হান্নানের স্ত্রী জাকিয়া পারভীন, দুই মেয়ে নিশাত ও নাজনীন এবং বড় ভাই আলী উজ্জামান সকাল ৭টা ১০ মিনিটে তার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি পান। তখন থেকে তারা প্রায় ৭টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত হান্নানের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর তারা বেরিয়ে যান।
এদিকে জঙ্গি রিপনের ফাঁসি কার্যকর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢোকেন জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম। বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় তারা কারাগারে ঢোকেন। এর আগে সন্ধ্যায় সেখানে ঢোকেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ঈমাম মুফতি বেলাল হোসেন। তিনি পৌনে ১০টার দিকে রিপনকে তওবা পড়িয়ে কারাগার থেকে বের হন। এরপর কারাগারে প্রবেশ করেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অমল রতন সাহা।
রিপনের সঙ্গেও শেষ সাক্ষাৎ করেন স্বজনরা। সাক্ষাত করেন তার বাবা আবু ইউসুফ, মা আজিজুন্নেছা, ভাই নাজমুল ইসলাম ও তার স্ত্রী।বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৬ মিনিটে ১টি মাইক্রোবাস ও একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে রিপনের ২১ জন স্বজন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। ৮টা ৪০ মিনিটে তারা কারাগার থেকে বের হয়ে যান। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. সগির মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জঙ্গি রিপনের মা, বাবাসহ বেশ কয়েকজন আত্মীয় স্বজন তার সাথে দেখা করেন। তিন জঙ্গির ফাঁসি উপলক্ষে উভয় কারাগারে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অনেক হামলার মাস্টারমাইন্ড মুফতি হান্নান: মুফতি মো. আব্দুল হান্নান। এক আতঙ্কের নাম! তার বিরুদ্ধে ১৩ নাশকতার হামলায় ১০১ হত্যা ও ৬০৯ জনকে আহত করার অভিযোগ রয়েছে। এসব হামলা হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশের (হুজি-বি)ব্যানারে হলেও অনেক হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন হুজির অন্যতম শীর্ষ এই নেতা। ২০০৪ সালে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার দায়েই ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে তার। এ ছাড়া ২০০১ সালে রমনায় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা মামলায় হান্নানসহ হুজির আট জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত।
২০০৫ সালের ১ অক্টোবর রাজধানীর বাড্ডার বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন মুফতি হান্নান। তখন থেকেই কারাগারে ছিলেন তিনি। মুফতি হান্নান বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে পড়াশোনা করে আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠন হরকাতুল মুজাহিদীনের হয়ে তৎপরতা শুরু করেন। পরে আফগানফেরত এদেশীয় মুজাহিদদের সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশে (হুজি-বি) যোগ দেন। অবশ্য মুফতি হান্নান যোগদানের আগেই হুজি-বি গঠন করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় হুজির দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৩টি নাশকতামূলক ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দুই দফায় হত্যাচেষ্টা ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীকে গ্রেনেড হামলার অভিযোগও রয়েছে। ১৭ মামলার মধ্যে দুটির বিচার শেষ হয়েছে।
মুফতি আব্দুল হান্নানের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ায়৷ তার জবানবন্দি থেকে জানা যায়, তিনি গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা ও বরিশালের শর্ষিনা আলিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন। এরপর ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসায় ভর্তি হন। সেখানে দাওরা হাদিস পড়াকালে ১৯৮৭ সালে ওই দেশের আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক শিক্ষায় স্নাতকোত্তর পাস করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি পাকিস্তানে যান এবং করাচির জামিয়া ইউসুফ বিন নূরিয়া মাদ্রাসায় ফিকাহ শাস্ত্রে ভর্তি হন৷ সেখান অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি সীমান্তবর্তী শহর খোস্তে মুজাহিদ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নিয়ে আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধে আহত হয়ে তিনি পেশোয়ারে কুয়েত আল-হেলাল হাসপাতালে ১০ মাস চিকিৎসা নেন। এরপর আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানের করাচির জামিয়া ইউসুফ বিন নূরিয়া মাদ্রাসায় ফিরে আসেন এবং লেখাপড়া শেষ করেন।

যেভাবে জঙ্গি কার্যক্রম শুরু: মুফতি হান্নান ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশে ফেরেন এবং পাকিস্তানভিত্তিক হরকাতুল মুজাহিদীন নামক সংগঠনের হয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি হুজি-বিতে যোগ দেন। অবশ্য এর আগেই আফগানফেরত এদেশীয় মুজাহিদরা হুজি-বি গঠন করেন।
মুফতি হান্নান দেশে এসে প্রথমে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেন। প্রথমে তিনি হুজির গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার থানা প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পান। কিন্তু সাংগঠনিক দক্ষতা, দূরদর্শিতা এবং আফগান যোদ্ধার পরিচয় তাকে অল্প দিনের মধ্যে হুজি-বির অন্যতম শীর্ষ নেতৃত্বে যেতে সহায়তা করে। তবে হুজিতে থাকার পাশাপাশি মুফতি হান্নান হরকাতুল মুজাহিদীনের হয়েও কার্যক্রম চালাতেন বলেও জানা গেছে।
যেভাবে আলোচনায় এলেন: ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ যশোরে উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মধ্য দিয়ে এদেশে গোপন জঙ্গি সংগঠন হুজি-বির নাশকতা শুরু হয়। হুজি-বির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সিদ্ধান্তে মুফতি হান্নান ও মুফতি আবদুর রউফের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় এ হামলা হয় বলে হান্নানের জবানবন্দিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই হামলায় ১০ জন নিহত ও দেড়শ জন আহত হন। যদিও তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ ঘটনায় বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ফলে জঙ্গিদের বিষয়টি তখন আড়ালেই থেকে যায়। এরপর একই বছরের ৮ অক্টোবর খুলনা শহরের আহমদিয়া মসজিদে বোমা হামলা হয়। তাতে আটজন নিহত হন।
২০০০ সালের জুলাইয়ে কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাস্থলের কাছাকাছি ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রেখে প্রথম আলোচনায় আসেন মুফতি হান্নান ও তার দল। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে থেকে তৎপরতা চালান।
২০০১ সালে ঢাকায় সিপিবির সমাবেশে, রমনার বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানসহ ছয়টি বোমা হামলার ঘটনা ঘটায় জঙ্গিরা। এরপর শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালায় ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তার সমাবেশে। এতে আওয়ামী লীগের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হন। আহত হন শেখ হাসিনাসহ শতাধিক ব্যক্তি।
তার আগে ওই বছরের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালাল (র.)-এর মাজারে বাংলাদেশে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর এবং ৭ আগস্ট সিলেটের তৎকালীন মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের ওপর গ্রেনেড হামলা চালায় হুজি-বির জঙ্গিরা। হান্নানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সর্বশেষ গ্রেনেড হামলা হয় ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জে এক সমাবেশে। ওই হামলায় আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন।
ঢাকায় আরও সাত মামলা: মুফতি হান্নানের বিরুদ্ধে করা আরও সাতটি মামলার বিচার ঢাকার বিভিন্ন আদালতে চলছে। সেগুলো হলো- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় করা দুটি মামলা, রমনার বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলা, ২০০০ সালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রেখে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দুটি, ২০০১ সালে সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনায় দুটি মামলা।
সিলেটে পাঁচ মামলা: মুফতি হান্নানের বিরুদ্ধে সিলেটের আদালতে বিচারাধীন আছে চারটি মামলা। আর একটি মামলা অধিকতর তদন্ত করছে সিআইডি। সেটি হলো সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে করা মামলা।
নারায়ণগঞ্জ দুই মামলা: ২০০১ সালে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বোমা হামলার ঘটনায় করা দুটি মামলা সেখানকার আদালতে বিচারাধীন আছে।
খুলনায় এক মামলা: এ ছাড়া ১৯৯৯ সালে খুলনায় আহমদিয়া মসজিদে বোমা হামলার মামলাটি এক দফা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পর আদালতের নির্দেশে ২০১০ সালে আবার পুনরুজ্জীবিত হয়। মামলাটি এখন তদন্তাধীন আছে।
অপর চারটি মামলা হলো: ২০০৫ সালে হবিগঞ্জে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় করা দুটি মামলা, ২০০১ সালে সিলেটে নির্বাচনী জনসভায় শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলা এবং একই বছর সিলেটের তৎকালীন মেয়র বদরউদ্দিন কামরানকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা মামলাও চলমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *