পল্লবীতে মাদক কেনা বেচায় বাঁধা দেয়ায় ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা আলমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

টাইমস আই বেঙ্গলী ডটকম, ঢাকা : রাজধানীর পল্লবী ১২ নম্বর বালুমাঠ মোল্লার বস্তি এলাকায় স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক কেনা বেচা ও সেবনে বাঁধা দেয়ায় সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন আলমকে মাদকদ্রব্য দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। উল্টো আলম ও তার ছোট ভাই সোহেলকে মাদক ব্যবসায়ী বানানোর অপপ্রচার চালাচ্ছে। পল্লবী থানার কতিপয় দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তা, পুলিশের সোর্স ও কতিপয় রাজনৈতিক নেতারা মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করছে। এতে করে কেউ মাদকদ্রব্য কেনা বেচায় কেউ বাঁধা দিলে তাকে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলা ও মাদকদ্রব্য সাথে দিয়ে তাকে মাদক ব্যবসায়ী বানিয়ে পুলিশে দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
সূত্র জানায়, রাজধানীর মিরপুরের ভোলা বস্তি, কালশি বস্তি, উত্তর কালশি বস্তি ও বৃন্দাবন বস্তিতে মাদক সরবরাহের একটি বড় সিন্ডিকেট রয়েছে। মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। ওই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলেন ব্যবসায়ী ও পল্লবী থানার যুবলীগ নেতা মো. আলমগীর হোসেন আলম। পল্লবী ১২ নম্বর মোল্লার বস্তিতে মাদকদ্রব্য বেচা কেনা ও সেবন করতে বাঁধা দেয়ায় স্থানীয় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরা আলমকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের কারণে তিনি প্লাই মিশন বিডি লিমিটেড, এম/এস রাহিম এন্ট্রারপ্রাইজ ও হারুনাবাদ আদর্শ বহুমূখী সমবায় সমিতি লিমিটেড পরিচালনা করতে পারছে না। সন্ত্রাসীরা বলছে তাকে মাদকদ্রব্য দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়া হবে বলে প্রতিনিয়তই হুমকি দিচ্ছে।
সূত্র আরো জানায়, পল্লবী ১২ নম্বর মাতব্বর মোল্লা রোডের বস্তির সঙ্গে ঘেঁষা ৬/এ নম্বর কাজী ভিলায় থাকেন ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন আলম। সেখান থেকে ৫০ গজ পশ্চিমে বস্তির প্রবেশ পথেই আলমের অফিস। এ অফিসেই বস্তির অসহায় গরিব মানুষ বিভিন্ন সময় সাহায্য সহযোগিতার জন্য আলমের কাছে আসেন। কারো বিয়ে হলে, কারো খাবারের সমস্যা হয়ে ও ঝগড়া বিবাদ হয়ে তিনি বস্তির লোকজনকে সহযোগিতা করেন। এছাড়াও তিনি উক্ত এলাকায় মাদক বিরোধী আন্দোলনের নেতা, বায়তুল হাদী জামে মসজিদের সভাপতি ও পল্লবী থানার যুবলীগের সক্রিয় নেতা।
মাতব্বর মোল্লা রোডের বস্তির বাসিন্দা মো. নেছার উদ্দিন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ঘর বানিয়ে বসবাস করে আসছি। ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা হিসাবে আলম আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে। এছাড়াও আলমের হারুনাবাদ আদর্শ বহুমুখী সমবায় সমিতি রয়েছে। ওই সমিতির মাধ্যমে আমরা বস্তিবাসী ঋণ নিয়ে থাকি। তিনি আমাদের অভিভাবক হিসাবে সহযোগিতা করে আসছেন। কতিপয় কুচক্রিমহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ব্যবসার কাজে বাঁধা দিচ্ছে। একটি কুচক্রিমহলের মিথ্যা তথ্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আমি ওই মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করছি।
অপরদিকে, গত ৩১ মে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রত্রিকায় ‘আলম-সোহেলের বস্তির শাসন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পল্লবী থানার যুবলীগ নেতা মো. আলমগীর হোসেন আলম। তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি প্লাই মিশন বিডি লিমিটেড, এম/এস রাহিম এন্ট্রারপ্রাইজ ও হারুনাবাদ আদর্শ বহুমূখী সমবায় সমিতি লিমিটেড পরিচালনা করে আসছেন। বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক। তিনি আরো বলেছেন, সোহেল তার আপন ছোট ভাই। তারা রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারনে মিরপুর ১২ নম্বর মোল্লা বস্তির লোকজনকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। একটি কুচক্রিমহল প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনে ভুয়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে করে আলম ও তার ছোট ভাই সোহেলের মানহানি হয়েছে। তিনি কোন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নয়। তাই তিনি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *