‘আমেরিকার উচিত কাতার থেকে বিমানঘাঁটি সরিয়ে ফেলা’

টাইমস আই বেঙ্গলী ডটকম: কাতার থেকে বিমানঘাঁটি সরিয়ে ফেলার জন্য আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আবুধাবি বলেছে, সন্ত্রাসবাদের প্রতি কাতারের কথিত সমর্থন বন্ধের লক্ষ্যে দোহার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল-ওতাইবা আমেরিকার প্রতি এ আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তার দেশ কাতারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। কাতারের ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

গত সপ্তাহে সন্ত্রাসবাদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগ তুলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর কাতারের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে। এ ছাড়া, এসব দেশ তাদের সব স্থল, সমুদ্রসীমা ও আকাশপথ কাতারের জন্য বন্ধ করে দেয়।

দৃশ্যত ইসরাইলের স্বার্থে মার্কিন সমর্থন লাভের আশায় পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলো এ পদক্ষেপ নেয়। পরে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ফিলিস্তিনের ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রতি কাতারের সমর্থনের কারণে দেশটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

 

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল-ওতাইবা
ওতাইবা দাবি করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আরব আমিরাত ও আমেরিকার আস্কারা’ পেয়ে কাতার ‘বেপরোয়া’ হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটির জন্যই হয়ত ওয়াশিংটন দোহার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। কাজেই এখন এই ঘাঁটিকে দোহার উপর চাপ সৃষ্টির জন্য ব্যবহার করার উপযুক্ত সময় বলে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমেরিকা এখন ঘাঁটিটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরিয়ে নিতে পারে।

কাতারের উদেইদ বিমানঘাঁটিতে প্রায় ১০,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালানোর কাজে এই ঘাঁটিকে সদরদপ্তর হিসেবে ব্যবহার করে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।

সূত্র: পার্সটুডে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *